বইমেলায় আসছে হাসনাইন হীরার ‘বাঁক বাচনের বৈঠা’

253 Views

Spread the love

অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে তরুণ কবি হাসনাইন হীরার প্রথমবই ‘বাঁক বাচনের বৈঠা’। বইটি প্রকাশ করছে কাগজ প্রকাশন । প্রচ্ছদ করেছেন মোস্তাফিজ কারিগর। গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপি অর্জন করেছে ‘জেমকন তরুণ কবিতা পুরস্কার-২০২০’।

কবি হাসনাইন হীরার কবিতা প্রসঙ্গে বইটির ফ্লাপে বলা হয়েছে,  হাসনাইন হীরার বাঁক বাচনের বৈঠা ঐতিহ্যলগ্ন শব্দ ও চিত্রকল্পের মাধ্যমে সময়ের বাঁকাচোরা স্রোতকে দক্ষতার সঙ্গে ধারণ করায় এই কবির কাব্যভাষা স্বতন্ত্র মর্যাদার দাবি করে। তিনটি পর্বে বিন্যস্ত বলে সর্বত্র কাব্যচেতনা স্পষ্ট নয় যদিও—পর্বে পর্বে দূরত্বও বর্তমান। তবু এদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক অনস্বীকার্য। বাংলা সাহিত্যে  সম্পূর্ণ মৌলিক কোনো কবির আবির্ভাব ঘটেছে—কবিতা পড়তে পড়তে এখনই তা মনে হবে না হয়তো, তবে চিরায়ত কাব্যপরম্পরার সঙ্গে ঐতিহ্যচেতনার যে মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, তাতে তার নিজস্বতা তারিফযোগ্য। সম্ভবতই বিষয়বৈচিত্র্যে স্বদেশ ও স্বকালের অনুসঙ্গ যেমন প্রখর, তেমনি উজ্জ্বল অন্যান্য পরিমন্ডলও। সেই সূত্রেই এসেছে সমাজ-রাজনীতি এবং দার্শনিক অভীক্ষা।

বাংলা সাহিত্যে  সম্পূর্ণ মৌলিক কোনো কবির আবির্ভাব ঘটেছে—কবিতা পড়তে পড়তে এখনই তা মনে হবে না হয়তো, তবে চিরায়ত কাব্যপরম্পরার সঙ্গে ঐতিহ্যচেতনার যে মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, তাতে তার নিজস্বতা তারিফযোগ্য। সম্ভবতই বিষয়বৈচিত্র্যে স্বদেশ ও স্বকালের অনুসঙ্গ যেমন প্রখর, তেমনি উজ্জ্বল অন্যান্য পরিমন্ডলও। সেই সূত্রেই এসেছে সমাজ-রাজনীতি এবং দার্শনিক অভীক্ষা। 

নিজের কবিতা সম্পর্কে হাসনাইন হীরা বলেন,

মহাজগতের সামনে নিজেকে দাঁড় করিয়ে দিই। নিজেই হয়ে উঠি নিজের অবজেক্ট। ফলে মহাজগত আমাকে আক্রমণ করে বসে, আড়াল করতে চায়। আমি হারিয়ে যেতে থাকি। হারিয়ে খোঁজার মধ্যে একধরণের দায় আছে। খোঁজাটা তাই অনিবার্য এক নিরন্তর অভিপ্রায়। যতটুকু পাই, অইটুকুই টেঁমরে গুঁজি। টেঁমর থেকে সুগন্ধি বের হয়। সুগন্ধি একধরণের কথা বলা পাখি। যার কলহাস্যে জেগে ওঠে চারপাশ । উঠতেই হয়। উঠলে টের পাই, আমি কিংবা আমরা একেকজন পরিব্রাজক। আর পরিব্রাজকই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সবচেয়ে নিকটতম পরিজন। ‘বাঁক বাচনের বৈঠা’ তেমনই এক পরিব্রাজকের আঁকা পথভাষ্য। বলা যায়, দীর্ঘপরম্পার জল-হাওয়ায় ভেসে—কবিতা যে মোহনায় এসে দাঁড়িয়েছে, সেখান থেকে কবিতাকে অন্যস্রোতে, অন্যবাঁকে, অন্যমোহনার দিকে ভাসাতে চেয়েছি। মূলত বদলাতে চেয়েছি কবিতার গতিপথ। নতুন ফর্মে, নতুন চিন্তায়, নতুন ভাষায় এবং নতুন ব্যঞ্জনে বাইতে চেয়েছি বাচনের বৈঠা।

দীর্ঘপরম্পার জল-হাওয়ায় ভেসে—কবিতা যে মোহনায় এসে দাঁড়িয়েছে, সেখান থেকে কবিতাকে অন্যস্রোতে, অন্যবাঁকে, অন্যমোহনার দিকে ভাসাতে চেয়েছি। মূলত বদলাতে চেয়েছি কবিতার গতিপথ। নতুন ফর্মে, নতুন চিন্তায়, নতুন ভাষায় এবং নতুন ব্যঞ্জনে বাইতে চেয়েছি বাচনের বৈঠা।

উল্লখ্য কবি হাসনাইন হীরার জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলায়। সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেছেন। একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

‘বাঁক বাচনের বৈঠা’ বইটি পাওয়া যাবে কাগজ প্রকাশনে। স্টল নং–১১৪-১১৫।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *